বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন, সত্যের গুণ হলো এটি প্রোপাগান্ডা ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে অবশেষে বিজয়ী হয়। এটি আমাদের এই বিশ্বাস প্রদান করে যে, ন্যায় ও সুবিচার শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হবে। আসুন আমরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অবসান ঘটিয়ে ইতিহাসের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করি, যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে কারও জীবন বা পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
রবিবার বাংলাদেশ সময় ৭টা ২৫ মিনিটে স্যোশাল হ্যান্ডেল এক্স (সাবেক টুইটার) ও ফেসবুকে প্রকাশিত স্ট্যাটাসে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় খালাস পাওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।
উক্ত স্ট্যাটাসে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অবসান ঘটিয়ে ইতিহাসের নতুন অধ্যায় শুরু করার আহ্বান জানান।
তারেক রহমানের ইংরেজি স্ট্যাটাসের বাংলা অনুবাদ হলো, আমরা প্রতিজ্ঞা করছি যে, বহুমতের, বিশ্বাসের ও মতাদর্শের বৈচিত্র্যে বিকশিত গণতন্ত্রের চেতনা ধারণ করব, যা বাংলাদেশের জনগণকে নির্বাচনী অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ক্ষমতায়িত করবে। এই যাত্রায় আমরা আইনের শাসন, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য সচেষ্ট হব, যা প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত করবে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহনশীল ও নিয়মতান্ত্রিক সমাজ গঠনে সহায়তা করবে।
২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর, বিচারিক আদালত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। একইসঙ্গে, তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর ১১ আসামির জন্য বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
পরে, ওই বছরের ২৭ নভেম্বর, মামলার বিচারিক আদালতের রায় প্রয়োজনীয় নথির সঙ্গে হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছায়। পাশাপাশি, কারাবন্দি আসামিরা আপিল করেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে, এ মামলার আপিল শুনানি বিচারপতি সহিদুল করিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুরু হয়। এর মধ্যে বেঞ্চটি পুনর্গঠিত হয়, ফলে নতুন বেঞ্চে আবার শুনানি শুরু করতে হয়। br />

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন